গ্রাফিক্স ও ফটোশপের মধ্যে পার্থক্য কি? | ফটোশপের কাজে দক্ষ না হলে ওয়েব ডিজাইনে এক্সপার্ট হওয়া কঠিন;
গ্রাফিক্স
ও ফটোশপের মধ্যে পার্থক্য কি?
ফটোশপের কাজে দক্ষ না হলে ওয়েব ডিজাইনে এক্সপার্ট হওয়া কঠিন;
আজকে তুলে ধরছি ওয়েব ডিজাইনে কিভাবে অন্যদের চেয়ে আলাদা নিখুঁত কাজ করে এক্সপার্ট হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবেন সেই বিষয়ে বিশ্লেষণাত্মক ইনফরমেশন নিয়ে আলোচনা করছি।
অনেকে
মনে করেন ফটোশপের কাজ
জানলেই ওয়েব ডিজাইনেও এক্সপার্ট
হয়ে যাবেন কিন্তু না, ফটোশপ ও
Web Design আলাদা জিনিস, এখানে ওয়েব এ ক্রিয়েটিভিটি
দেখাতে হলে ফটো শপের
কাজ জানার পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইনের কাজেও
দক্ষ থাকতে হবে। Photoshop এ শুধু ফটো
ও এর পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড
নিয়ে কাজ করলেই চলে
কিন্তু ওয়েব সাইট ডিজাইনে
শত শত বিষয়ে পারদর্শিতা
থাকতে হয়। যেমন কালার
কম্বিনেশন, ডিজাইন ম্যাচ করা, কোন কালারে
কোন অর্থ বহন করে
সেগুলো সম্পর্কে জানা।
গ্রাফিক্স ও ফটোশপের মধ্যে পার্থক্য কি?
কোন কালার কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে মানায় এবং একটা ব্রান্ড তৈরী করে সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করতে হয়। আর ফটোশপে শুধু ব্যক্তির ছবি ও সিনারি নিয়ে কাজ করলেই চলে। ওয়েব ডিজাইনের ক্ষেত্রে কল্পনা শক্তি থাকতে হয় যেখানে কাল্পনিকভাবে একটা বিষয় অল্পতে ফুটিয়ে তুলা যায় সেগুলো চিন্তা ভাবনা মাথা করে কাজ করতে পারলেই মানুষের মনে সহজে হানা দেয়া সম্ভব।
আমরা বড় জোর ডজন বা কুড়ি কালার সম্পর্কে ধারণা থাকলে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ রং রয়েছে, অল্প পরিবর্তন করে নিলেই রংয়ের চেঞ্জ চলে আসে সেখানে বিভিন্ন কালারের কোড থাকে যা একই ধরনের দেখতে মনে হলেও কোড দেখে চিহ্নিত করা যায় রংয়ের পার্থক্য আছে।
এক সময় কয়েক যুগ আগে গ্রামে গঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিগণ স্টুডিওতে সেবা দিতে দেখা গেলেও ওয়েব ডিজাইনে গ্রাম গঞ্জে এতো বেশী লক্ষ করা যেতো না। পারসোনাল কম্পিউটারের বিস্তারের পর বিভিন্ন গিফট কার্ড, ভিজিটিং কার্ড, বিয়ের কার্ড ছাড়াও ব্যানার ফেস্টুনের অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যবসায়ী বৃদ্ধি পেতে দেখা যায় যা মুসলিম ব্যক্তিদের মাঝে সেবা প্রদান করতে প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পেতেই চলেছে যার ফলে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সমাজে নতুনত্ব দেখা দিচ্ছে। যেকোন কিছুতে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেমন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ডেকোরেশন, বাসা বাড়ির ডিজাইন থেকে শুরু করে অফিস আদালতে ওয়েব ডিজাইনের মাধ্যমে পরিবেশ হয়ে উঠছে সৌন্দর্যে ভরপুর।
এ বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞ হয়ে উঠতে গেলে রং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে এবং জ্ঞানের মাত্রা ও ক্রিয়েটিভ চিন্তা যাদের রয়েছে তারাই ভালো কিছু করতে পারবেন। বেশী বেশী কাজ করার আগ্রহ থাকতে হবে, নিজেকে বেশী সময় দিন, কোন কিছু সৃষ্টির জন্য গভীর গবেষণা করুন। সমাজের ভালো কাজে নিজেকে তুলে ধরতে যা যা করণীয় তাই নিয়ে ভাবুন, দেখবেন এক সময় নিজেই একটা ব্রান্ড হয়ে গেছেন। আজ এখানেই রাখছি, ভালো থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।


কোন মন্তব্য নেই