Header Ads

Header ADS

নতুনদের জন্য কম্পিউটার শিক্ষা | কম্পিউটার শেখার প্রথম ধাপ

 

নতুনদের জন্য কম্পিউটার শিক্ষা  | কম্পিউটার শেখার প্রথম ধাপ

যে কারণে কম্পিউটার শিক্ষায় ভয় থাকে, তা দূর করার উপায়;

কম্পিউটার নিয়ে - টি আর্টিক্যাল লিখার পরও অনেক বিষয় তুলে ধরার বাকি রয়েছে। সচরাচর সকল জায়গায় শেখার যে সমস্ত নিয়ম কানুন রয়েছে তার বাহিরে আলোচনা করে আপনার ত্রুটি চিহ্নিত করে সমাধান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা চেষ্টা করছি।

কম্পিউটার শেখার প্রথম ধাপ 

) কের্সে ভর্তি হয়ে রেগুলার না থাকা; যেকোন কোর্স কিংবা প্রাইভেট ক্লাস করলে Course সম্পন্ন না করে মাঝের কয়েকটা মিস করে ফেলা হয়, এতে নিখুঁত জানার সুযোগ না থাকায় পিছিয়ে পড়ার কারণে এক সময় কম্পিউটারে পারদর্শী হওয়া সম্ভব হয়ে যায়। এজন্য রেগুলার ক্লাস করে তা দিনেদিনে প্রেকটিস করে নেয়াই শ্রেয়।

) মনোযোগী না হওয়া;  ক্লাসের সময় মনোযোগী না হয়ে এদিক সেদিক মোবাইলে সময় দেয়ার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কথা মিস হয়ে যায় এতে অধিক জানার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়। এজন্য ক্লাসের সময় এবং কাজ পুরোপুরি ভালো ভাবে না জানা পর্যন্ত পর্যাপ্ত মনোযোগী থাকতে হবে।

 ) দেরিতে ক্লাসে এটেন্ড করা দ্রুতে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা; ক্লাস শুরু কিছুক্ষণ পর জয়েন করা মাঝেমাঝে বিশেষ কাজের কারণে ক্লাস ত্যাগ করাই কম্পিউটারে অদক্ষ থেকে যাওয়ার সুযোগ তৈরী হয়, এতে কম্পিউটার শেখার আগ্রহ বাধাগ্রস্ত হয়। এদিকে সতর্ক থাকা আবশ্যক। 

 ) ক্লাসে প্রশ্ন করতে ভয় করা;  ক্লাসে যেকোন বিষয় ভালোভাবে বুঝতে না পারলে তা জানার জন্য পুনরায় জিজ্ঞেস না করা হয় হোম ওয়ার্ক ফাঁকি দেয়ার কারণে এমন ভীতি সৃষ্টি হয়। তাই নিজেকে এক্সপার্ট করতে হলে ক্লাসের পড়ানোর পাশাপাশি বাড়তি বিষয়ে জানার আগ্রহ থাকতে হবে তবে যে বিষয়ে ক্লাস হচ্ছে সেই বিষয় রিলেটেড যেকোন প্রশ্ন করতে পারেন।

 ) জানার চেয়ে সার্টিফিকেট কে৷ প্রাধান্য দেয়া; অনেকে চাকরির আশায় জানার চেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়ে দেন সনদের উপর যা সার্টিফিকেটের চেয়ে ভালো ভাবে কাজ শেখা মূখ্য বিষয়। তাই ভালো ভাবে শিখতে পারলে এক সময় নিজে নিজেই কিছু করতে পারবেন।

 ) সরকারি প্রতিষ্ঠান খুঁজতে গিয়ে দূরে এডমিশন নেয়া; ভালো প্রতিষ্ঠানে এডমিশন নিতে গিয়ে যেন খুব দূরে যেতে না হয় এতে সময় খরচ বৃদ্ধি পাবে কাছের আবার অদক্ষ ব্যক্তির কাছে যেন শেখা না হয়। দিনশেষে যে বিষয় জানতে চান বিষয় যেকোন স্থান থেকে জানলেই হলো। এতে ঘরে বসে আয় করার পথ বের করতে পারবেন।

 ) শুধু চাকরী বা ইনকামের আশায় শেখা; শুধু চাকরির জন্য বা বিজনেস করে হয় করার জন্য শেখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। ব্যক্তিগত কারণেও কম্পিউটারে দক্ষ হওয়া জরুরী রয়েছে। তাই একেক করে কাজ শেখে রাখতে পারলে এক সময় ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করে লাভবান হতে পারবেন।

 ) লিখে লিখে না পড়া; যেকোন বিষয় নোট করে বা খাতায় লিখে না শেখার কারণে দ্রুত শেখা মনে রাখা কঠিন হয়ে যায়। এজন্য টেবিলে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে কাজ সম্পন্ন করে উটার প্রবণতা বাড়াতে হবে।

 ) লক্ষ্য স্থীর না থাকা;  আজ থেকে -১০ বছর পর কোন পর্যায় যেতে চান তা স্থীর না করে কাজ করলে মাঝখানের গতিবেগে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তাই দেশে নাকি বিদেশে থাকবেন, সরকারি না বেসরকারি জব করবেন? বিজনেস নাকি ফ্রিলান্সিং করবেন তা স্থীর করে এগুতে পারলে সহজ হয়। 

১০) কোন সিজনে কি করবেন তা নির্ধারণ করা; শীত কালে কি করবেন? গরমের সময় কি এবং বৃষ্টির সময় কি করবেন তা আগাম প্লান করে রাখা। এতে দেশের কোন সেক্টরে কোন সিজনে কি পারফরম্যান্স করে তা উপলব্ধি করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। আজ আর লিখছি না, কথা হবে আরেকটি পর্বে সেই সময় পর্যন্ত ভালো থাকুন, ভালো রাখুন। আল্লাহ হাফেজ।

 

আরও পড়ুন..

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.