শারীরিক গঠন দেখে মানুষ চেনার উপায় । সৎ পথে চলা । মানুষ চিনা
আপনি ভালো লোক হলে যে বিষয়ে সতর্ক না থাকলে মন্দ লোক হিসেবে পরিচিতি বাড়বে;
আজকে
আলোচানার বিষয় যারা ব্যক্তি
হিসেবে ভালো, আপনার কাছের লোক মন্দ মস্তিষ্কের
লোক হলে সুপরিচিত পাওয়া
দূরের কথা হীতে বিপরীত
ঘটলে পারে তাই সতর্ক
থাকতে পারেন। নিম্নে স্টেপ বাই স্টেপ তুলে
ধরছি, এটা হতে পারে
যেখানে কাজ করছেন সেখানে
বা পরিবারে কিংবা সামাজিক প্রতিষ্ঠান নতুবা রাজনৈতিক সংগঠনে।
শারীরিক গঠন দেখে মানুষ চেনার উপায়
১) অতি সৎ লোকের সমস্যা ; যারা সৎ বা মাত্রাতিরিক্ত বিশ্বাসী তারা অন্যদের অল্পতে ট্রাস্ট করেন সেই হিসেবে ইনিয়ে বিনিয়ে অতি চতুর ব্যক্তি যখন মাইন্ড কন্ট্রোল করতে চাইবে তখন বুঝার উপায় থাকবে না সে মিথ্যে নাকি সত্য বলছে। তবে সেই ক্লেবার ব্যক্তির লোভ আছে কিনা দেখে নিবেন, কোন ব্যক্তির অন্যের টাকার উপর লালসা থাকলে যেকোন কথায় ফসে যাবেন না।
২) বেশী ভদ্র লোকের যে সমস্যা ; যদি আপনি অতি নম্র ভদ্র ও সৎ পথে চলা স্বভাবের হয়ে থাকেন তখন যারা আসে পাশে পাশে তারা তোমাকে বোকা ভাবছে কিনা দেখে নিন। নতুবা এই ভদ্রতার খাতিরে আপনাকে টকিয়ে নিবে, পাশাপাশি তারা অভদ্র হিসেবেও ট্যাগ লাগিয়ে দিবে।
৪) দুষ্ট লোকের চোখ ও ঠুট ফলো করা; দুষ্ট প্রকৃতির লোকের সাথে কথা বলার সময় সবচেয়ে বেশী নজর রাখবেন তার চোখ, ঠুট ও হাতের আঙ্গুল গুলোর প্রতি, সে যখন কথা বলবে তখন তার এই অঙ্গ গুলো স্বাভাবিক আছে কিনা খেয়াল রাখবেন। ঠুট ত্যাড়া বাঁকা, আঙ্গুল চোখ অন্যদের ইশারা দিয়ে কথা বলার ধরন দেখলে সতর্ক হোন।
৫) চেহারাকে প্রাধান্য দেয়া, কুৎসিত লোককে ছোট চোখে দেখা; আপনার মন মানসিকতা ভালো থাকলে জাত, ধর্ম, বর্ণ এগুলো কিছু না দেখে যেকোন শ্রেণীর লোকদের সম্মান করবেন নিঃস্বার্থভাবে কিন্তু এই লোকদের যারা স্বার্থের কারণে প্রমোট করে নিতে প্রয়োজন ছাড়া ছোট চোখে দেখেন তাহলে সতর্ক হোন, সেখানে অভিনয়ে ভালো ব্যবহার করছেন কিনা দেখে নিন। যদি অন্য সংশোধনের উদ্দেশ্য ছাড়া ছোট করেন তাহলে এই ব্যক্তিকে ভালো লোক নয়। যেমন কথার ছলে তার দুর্বলতা প্রকাশ করা, মোটা, চিকন, কালো, সুন্দর কিংবা খাটো বা লম্বা নিয়ে হেয় করে কথা বলা যা অনেকেই ধরতে পারবেন না সে কোন উদ্দেশ্যে কথা বলছে।
৬) আয়/ বেতন বা
বা সম্পদের খোঁজ নেয়া; কোন
ব্যক্তি আপনার সেলারি বা ব্যবসা বাণিজ্যের
আয় ও সম্পদ দেখে
গুরুত্ব দিলে সতর্ক হোন।
আপনার আয় কম হলে
সে আপনাকে টাকা দিবে না
এবং ইনকাম বেশী হলে ধার
নেয়ার চেষ্টা করবে যেখানে সম্পদ
বেশী হলে সম্পদে লোভ
করতে পারে। একজন ব্যক্তির কাছে
থেকে সবচেয়ে বড় বিষয় পাওয়ার
কথা চিন্তা করলে তাঁর ভালো
আচরণ আশা করা ছাড়া
অন্য কোন বিষয় প্রত্যাশা
করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সেখানে
ক্ষমতার সাপোর্ট বা অফিস আদালতের
লোভ নিজেকে ছোট করা ছাড়া
আর কিছু না। কারণ
গোটা কয়েক জন ফায়দা
নিলে অধিকাংশ ব্যক্তি বৈষম্যের স্বীকার হবেন। আজ এখানেই রাখছি,
কথা হবে নতুন কোন
টপিকস নিয়ে। ভুল হলে ক্ষমার
দৃষ্টিতে দেখবেন, খোদা হাফেজ।

কোন মন্তব্য নেই