Header Ads

Header ADS

বেসরকারি বা প্রাইভেট সেক্টরে জব করলে যে কারণে আচরণের উন্নয়ন ঘটে;


বড় পজিশনে যাওয়ার পরও নিজ ইচ্ছায় স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেননা অধিকাংশ ব্যক্তি

পারিবারিক শিক্ষার ঘাটতি থাকলেও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে জব করলে অধিকাংশ ব্যক্তির মানসিকতা উন্নতি ঘটার অনেক রিজন রয়েছে, নিম্বে বিশ্লেষণ সহকারে আলোচনা করা হলো। 

) প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের ক্লায়েন্ট হেন্ডল করা বসের সাথে ভালো ব্যবহার চেইন অব কমান্ড মেনে চলতে গিয়ে এক সময় অফিসারের আচরণের উন্নতি লক্ষ করা যায়, আর যাদের আচরণ ভালো না তারা বেশীদিন বেসরকারি জবে টিকে থাকতে পারে না।

) সময়ের সদ্ব্যবহার সম্পর্কে সর্বদা সচেতন থাকার ফলে এক সময় টাইম মেইনটেইন করা চলার অভ্যাস তৈরী হয়ে যায় এতে সময়জ্ঞান ভালো উপলব্ধি করা যায়।

 ) কথার সাথে কাজের মিল রাখতে না পারলে ক্লায়েন্ট ধরে রাখা কঠিন, ফলে ধীরে ধীরে মিথ্যার প্রবণতা কমতে থাকে, এতে সময়মত কাজ সম্পন্নের মাত্রা বাড়তে থাকে ফলে সমাজে এই আচরণ প্রয়োগের সম্ভাবনা বাড়ে।

) একজন প্রাইভেট সেক্টরের অফিসারের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে তাঁর ধৈর্য, এতে যেকোন বৈরী পরিবেশে নিজেকে সামাল দেয়ার ক্যাপাসিটি থাকে। এতে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার সক্ষমতা থাকার কারণে পারিবারিক বা সামাজিক জটিলতা তাঁর কাছে তুচ্ছ মনে হয়।

 

) জব সিকিউরিটির কথা ভেবে কাজে ফাঁকি দেয়ার প্রবণতা কমে যায় এতে গোনাহ থেকে বাঁচার পাশাপাশি ব্যক্তিগত কোন কাজেও মানুষের সাথে চল-চাতুরী কমে যায়। তবে যারা বেসরকারিতে টিকতে পারে না তারা ব্যক্তিগত জীবনেও এমন জটিলতা অতিক্রম করে উটা কঠিন হয়ে যায়।

 ) মানুষ চেনার ক্যাপাসিটি অর্জন করা, মানুষ চেনার উপায় সহজ হয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষের সাথে চলে ভালো আচরণকেও যারা দূর্বলতা ভেবে খারাপ ব্যবহার করে থাকে, এতে এই স্বভাবের লোকের চিহ্নিত করা তাঁদের কাছে কোন ব্যপারই না।

 ) অহংকার মাত্রা কমতে থাকে, কারণ যার যত বেশী যোগ্যতা তাঁর অহংকার তত কম, একাধিক অভিজ্ঞতা অর্জন করে যথাযথ যোগ্য হয়ে উপরে উঠতে থাকেন ফলে অহংকার প্রশমিত হতে দেখা যায়।

 

) দূর্নীতি থেকে রেহাই পাওয়ার সুযোগ থাকে যদিও সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা থাকলে বেসরকারিতে তেমন প্রত্যক্ষ হাত না থাকার কারণে নিজের স্বদিচ্ছা থাকলে তা থেকে রেহাই পাওয়া কিছুটা সম্ভব। এতে অর্থনৈতিক অবদানের পাশাপাশি সামাজিক কাজে অবদান রাখা সম্ভব হয়।

 ) প্রতারণা জালিয়াতি রোধে প্রাইভেট সেক্টরের কড়াকড়ি বেশী থাকায় চাকরি যাওয়ার ভয়ে এই জবাবদিহিতামূলক প্লেসে কিছু করতে চাইলেও চাকরিচ্যুত হওয়ার আসঙ্খায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এভাবেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবার মান উন্নত থাকতে দেখা যায় ফলে দেশের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রায় ৯০% মতো প্রাইভেট সেক্টর অবদান রাখছে। আজ এতটুকুই, ভালো থাকুন, ভালো রাখুন। খোদা হাফেজ।

 

আরও পড়ুন...

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.