যে দুইটি জায়গা পৃথিবীতে নিকৃষ্টতম স্থান বলা হয়েছে (ধর্মে);
আজ যে বিষয়ে আপনাদের
সামনে আলোচনা করবো এগুলো পড়ার
পর আমাকে খারাপ ধরে নিবেন কিন্তু
সমাজের এবং আপনার প্রয়োজনে
বিষয়টি বিশ্লেষণ করতে হচ্ছে।
এই সময় বাড়ির কোন কাজে সময় দেয়া, বা আত্মীয় স্বজদের সময় দেয়া ছাড়াও বই পড়া, ইবাদত নতুবা অন্য কোন কাজে সময় কাটানোর অনেক সুযোগ থাকে। যেখানে বাজারে অধিক টাইম থাকলে মাত্রাতিরিক্ত সমালোচনা, গীবত, পরনিন্দা ও ফিতনা ফেসাদ ছাড়াও দ্বন্দ্ব করার সম্ভাবনা থাকে। এতে সামাজিক অশান্তি বৃদ্ধি পায়। এমনকি নিজেকে কোন কাজ কর্মে মনোনিবেশ করতে বিঘ্নতা ঘটে।
পরিবারের ছেলে মেয়ে, স্ত্রী সন্তান বিপথে সময় দিচ্ছে কিনা দেখার সুযোগ কম থাকে, পারিবারিক কাজে সময় দেয়ার সুযোগ কম থাকে। তাছাড়া বিশ্রাম নেয়া ও স্বাস্থঝুঁকি বাড়ে। যেমন ধুলাবালি ও শব্দদূষণ ইত্যাদি কারণে মেজাজ উগ্র কিংবা কিটকিটে হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। নারী পুরুষ শপ করতে বা যে ঘরে (স্থানে) বসে আছেন সেখানে নিজের সাথে গ্যাপ থাকা ব্যক্তি এসে শপ কিংবা নাস্তা করার আগ্রহ হারায়। সামনে পাওয়ার কারণে কথা না বলে এড়িয়ে কাজ সেড়ে গেলে হীতে বিপরীত হয় কথা বলে না যাওয়ার কারণে, ফলে দূরত্ব বাড়াত সম্ভাবনা বাড়ে।
নিজের সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি গোনাহ বাড়তে থাকে। ২য় যে মন্দ স্থানটি রয়েছে তা হচ্ছে টয়লেট, যেখানে প্রয়োজন ছাড়া বাড়তি সময় না দিতে ইঙ্গিত রয়েছে, বর্তমান বিশ্বে টয়লেটকে এমন ভাবে সাজানো হয়েছে বা হচ্ছে যেখানে কিছুক্ষণ পরপর না গেলে হয়না, যেখান মুখ ধুয়া বা মাথা আছড়ানো ছাড়াও ছোট বড় কাজের পাশাপাশি গোসল ইত্যাদি করা হয়ে থাকে। যেখানে কাপড় ধুয়া, অজু পড়ারও সুযোগ বেড়ে গেছে। এতে বেশীক্ষণ থাকলে একা একজন যুবক বা যুবতী কি করতে পারে, সাবালক ব্যক্তি ভালো জানেন। বিষটি লম্বা করছি না, এগুলো নিয়ে ইসলাম কি ব্যাখ্যা দিচ্ছে তা নিজে দায়িত্বে দেখে নিতে পারেন। কোন পরামর্শ দিতে চাইলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন, সেই সঙ্গে সঙ্গে বিদায় নিচ্ছি, ভালো থাকুন, ভালো রাখুন। খোদা হাফেজ।
See more..


কোন মন্তব্য নেই