Header Ads

Header ADS

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর জন্য কি কি শিখতে হবে

  

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর জন্য কি কি শিখতে হবে

কম্পিউটার শিক্ষা নিয়ে ভিন্ন কিছু অভিজ্ঞতা;

কম্পিউটার বলতে শুধু লেপটপ ডেস্কটপ বুঝায় না, এখানে যত ধরনের ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র যেমন, স্পিকার, মাউস, ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, গাড়ির ইঞ্জিন, বিমানের ইঞ্জিনের নানা ডিভাইজ থেকে শুরু করে অনেক কিছুকে বুঝানো হয়। মোট কথায় মানুষের জীবন মান সহজ করার জন্য নানা জিনিস আবিষ্কার হয়ে আসছে যেগুলো সফটওয়্যার হার্ডওয়্যার দ্বারা পরিচালিত হয়। Software ছাড়া যেকোন Devise অকেজ তাই উভয়ের সমন্বয়ে কর্মকান্ড ঘটে।

এজন্য অনেক যন্ত্র চোখে দেখলেও সেগুলো কিভাবে পরিচালিত হচ্ছে ভালোভাবে জানতে পারলে এগুতে কাজ করার আগ্রহ বাড়বে। যে কাজ করলে সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম সম্পর্কে বেসিক ধারণা নেয়া সহজ হবে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো যদি প্রকার তার ব্যাখ্যা সব জায়গায় পাবেন তাই কোন বিষয়গুলোতে ফোকাস করলে বেশী বুঝতে পারবেন সে নিয়ে আলোচনা করছি ;

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার ;

) একা কাজ করার আগ্রহ; প্রতিদিন গড়ে টানা - ঘন্টা কম্পিউটারে বসে একা কাজ করার মনোভাব তৈরী করতে পারলে এই সেক্টরে আসুন, অনেক ভালো কিছু করতে পারবেন যা কল্পনাও করতে পারবেন না।

) কল্পনা শক্তি বাড়ানো; কম্পিউটারে যত কিছু আবিষ্কার হয়েছে সব কিছু কাল্পনিক ভাবনা থেকে এসেছে, এক সময় কম্পিউটারে দক্ষ হয়ে গেলে কিছু সফটওয়্যার তৈরী করা থেকে শুরু করে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ অসাধারণ ভাবে বৃদ্ধি করতে পারবেন, এজন্য নিজের ক্রিয়েটিভ চিন্তা থাকা আবশ্যক। 

) সময়ের সঠিক ব্যবহার ; সময়ের কাজ সময়ে সম্পন্ন পর্যাপ্ত মনোযোগী হতে হবে যা নিখুঁত কিছু আউটপুট আসে সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করতে হবে।

) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিনোদনে কম সময় দেয়া; যত সোসাল প্লাটফর্ম আছে সেখানে শিক্ষনীয় কাজে বেশী সময় দেয়া এবং বিনোদন সংক্রান্ত কাজে অল্প সময় দেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।

) ইতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি থাকতে হবে; যেকোন বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা থাকা আবশ্যক, কারণ অনলাইন যুগে কত খারাবি ঘটনা ঘটবে সেগুলো এড়িয়ে চলে পজিটিভ কাজের দিকে ফোকাস দিতে হবে।

) নিজের ব্রান্ড ভ্যালু তৈরী করা; কোন কিছু করার সময় সোসাল সেক্টরের প্রত্যেকটা প্লাটফর্মে নিজের বিজনেস বা প্রতিষ্ঠানের ব্রান্ড তৈরী হয়, একটা অবস্থান তৈরী হয়ে গেলে নানা জায়গা থেকে ইনকাম আসা শুরু করবে। তাই প্রত্যেকটা মুহুর্ত জানা কাজ করার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো আবশ্যক।

) সফটওয়্যারে এক্সপার্ট হওয়ার চেষ্টা করা; হার্ডওয়্যার মেরামতে গুরুত্ব না দিয়ে সফটওয়্যার কিংবা প্রোগ্রামিংয়ে গুরুত্ব দিতে পারলে Passive income করা সহজ হয়। আর একটিভ ইনকামে সরাসরি ক্লায়েটের সাথে ডিল করে কাজ করতে হয় বিধায় যেসময় কাজ করবেন সে সময় ইনকাম আসবে। আর পেসিভ ইনকাম হলো নিজে কাজ করে প্লাটফর্ম করে নিলেন, এরপর অটো টাকা আসবে।

) শিক্ষার দিকে গুরুত্ব দেয়া; দেশ জাতি বিশ্ব সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে কি করলে ভবিষ্যতে কি হবে তা আন্দাজ করে নিজের মেধা খাটিয়ে এমন কিছু করতে পারবেন যা মানুষের কাজে দীর্ঘকালীন চলতে থাকবে এতে যেটিই করবেন টেকসই হবে সময়ের অপচয় রোধ হবে।

) চালাক না হয়ে জ্ঞানী হওয়ার চেষ্টা করুন; চালাক আর জ্ঞানী হওয়া এক নয়। জ্ঞানী হলে মানুষের ক্ষতি না করে নিজের উপকারের পাশাপাশি অন্যেরও উপকার করা যায় কিন্তু চালাক হলে অন্যের ক্ষতি করে নিজের ফায়দা লুটা হয়।

১০) ভয়কে জয় কাজে স্থীর থাকা; যেকোন কাজে সফল হতে হলে সাহস বাড়ানো দরকার এবং কাজে লেগে থাকা আবশ্যক। তাই অল্প অল্প হলেও ধারাবাহিক কাজ করতে থাকুন, দিনশেষে দেরিতে হলেও এর ফিডব্যাক পাবেনই।

১১) সন্তুষ্ট থাকার পাশাপাশি হাস্যোজ্জ্বল মনোভাব; অফিস কিংবা বাড়ির কাজে মনমরা নিস্তেজ না থেকে হাসিখুশির মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যেতে পারলে কাজের গতি বাড়ার পাশাপাশি ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

১২) সময়মতো নাস্তা ঘুম; টাইমমতো খাবার গ্রহণ ঘুম না হলে কোন কাজই সঠিকভাবে সঠিক সময়ে সম্পাদন করা সম্ভব না। তাই প্রতিদিন - ঘন্টা ঘুম যা দিনের ঘুমকে এড়িয়ে গিয়ে এবং - ঘন্টার মধ্যে খাবার গ্রহণ হয়েছে কিনা সতর্ক থাকতে হবে।

১৩) শব্দদূষণ পরিবেশ দূষণ এড়িয়ে চলা; কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ ব্রেইনের তাই মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হলে বায়ুদূষণ, পানি দূষণ শব্দ দূষণ এড়িয়ে যাওয়া আবশ্যক। যার ফলে শারীরিক অসুস্থতা বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।

১৪) ভালো মানুষের সংস্পর্শে থাকা; মন্দ লোক এড়িয়ে ভালো লোকের সাথে ওঠাবসা করার চেষ্টা করুন। এতে নিজের আবিষ্কার হবে দেশ, জাতি গোটা বিশ্বের জন্য যার ফলে লাখ লাখ মানুষের মনে গেতে যেতে পারবেন, অনুপ্রেরণা পাবেন। আজ আর লিখছি না, কেমন লাগলো কমেন্ট করতে ভুলবেন না। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

 

আরও পড়ুন..

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.