ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়েছে, যারা অনৈতিকভাবে জবে ঢুকার অপেক্ষায় আছেন তাঁদের জন্য সতর্কতা ;
যারা ভাবছেন দুই এক বছর তো আমার কোর্স সম্পন্ন হবে, অমুক নেতাকে ধরেই জবে ঢুকে যাবো তারা একটু খেয়াল করে দেখবেন আপনার ৪-৫ বছর সিনিয়ররা কি এরকম কম চেষ্টা করছেন? আবার যাদের সরকারি চাকরির বয়স সীমা ৩৫ চেয়ে যুগের পর যুগ আন্দোলন করেছেন তাঁরা কি আপনার মতো চেষ্টা করছেন না? দিনশেষে দেশে প্রায় ২৬ লাখ লোক বেকার কেন? যদি ভাবেন আমি এই গ্রুপ করি, কোন অবস্থায় রিটেন টিকে গেলেই ভাইভায় নেতা দেখবেন তাহলে বোকার স্বর্গে বাস করছেন? নিজে ভালোভাবে VIVA তে টিকতেও পারেন এমন প্রিপারেশন নিন নতুবা দিন শেষে আপনারই ৩৫ এর জন্য আন্দোলনে শরীক হতে হবে।
আবার
ভাবছেন টাকা দিয়ে জব
নিয়ে নিবেন, এতো সহজ না,
আর যদিও টাকা দিয়ে
ফাঁকফুকোর পেয়ে জব পেয়েগেছেন
তাহলে ভেবে নিবেন এই
টাকা উশুল করতে কত
ব্যাগ পোহাতে হবে যখন চাকরি
করবেন তখন হাড়ে হাড়ে
ট্যার পাবেন। কত অপরাধে যুক্ত
হতে হবে, এতে মানসিক
অশান্তি বাড়বে যদিও হাতে কড়ি
থাকবে ভালো। কিন্তু অসুখবিসুখ লেগে থাকার পাশাপাশি
কোন না কোন ভাবে
ব্যয়ের মাত্রা বাড়তে থাকবেই।
অবৈধ উপায়ে জব পাওয়া ব্যক্তিদের আজীবন একটা হতাশা কাজ করে যা কাউকে ভালোভাবে খুলে বলতে পারবে না। বাস্তব জীবনে কনফিডেন্স কম থাকবে। সর্বদা কনফিউজড কাজ করবে। পদোন্নতির বেলায় মেধায় কাজ হবে না, এতে বাড়তি ঘুষ লাগবেই। আয় ব্যয়ে উভায় খ্যাতে গোনাহের মাত্রা বাড়তেই থাকবে। পরিবারে সততা অনুপস্থিতি দেখা দিবে, সন্তান অবাধ্য হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। অন্যের উপর পরাধীন থাকতে হবে। আজীবন কারো না কারো কাছে জিম্মি থেকে যাবেন।
কোন কাজে মুরাদ পাবেন না, বা স্বস্থি পাবেন না। অশান্তি বিরাজ করবে যদিও অভাব থাকবে না। পাপের কাজ বাড়তে থাকবে ধারাবাহিক ভাবে। অবসর সময়ে বিদ্যাশ্রমে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাবে। মনের মধ্যে মন্দ কাজ বিরাজ করবে, সর্বদা পজিটিভ থাকা কঠিন হবে। ঘুষ দিয়ে চাকরিতে ঢুকা ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে কখনো লাভে আনতে পারে না, বরং লস ও সোনাম নষ্টের সম্ভাবনা বাড়তেই থাকে। সামাজিক অশান্তি ও পাপাচার বাড়িয়ে দেয়। পরিবেশ দূষণ থেকে শুরু করে সর্বদা স্বার্থের সম্পর্ক গড়ে উঠে, এতে এক সময় মানুষ সামনে সোনাম করলে পিছনে গালি দিতে থাকবে।
এগুলো লুকিয়ে জব পেয়ে গেলেও এক সময় ঘুষের টাকা উঠাতে গিয়ে সবাইকে কাবু করে ফায়দা লুটার মেন্টালিটি তৈরী হয়। জমিজমা বা লোন করে ঘুষ দেয়ার কারণে নিজের ঝুঁকি বাড়ে। অনিশ্চয়তা কাজ করে। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সুযোগ বাড়ে। এর মধ্যে কেউ সফল হলে বাকিরা একই ভাবে সফল হতে গিয়ে ধরা খায়। হাতে গুণা কয়েকজন ফায়দা পেলেও অধিকাংশ ব্যক্তি বিপদগ্রস্ত হয়। অন্যের উপর ভরসা করে থাকতে হয়। দিনশেষে প্রকৃতি সুখের দেখা পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে যায়। আজ এখানেই রাখছি। ভালো থাকবেন, খোদা হাফেজ।
আরও
পড়ুন..


কোন মন্তব্য নেই